নিজস্ব প্রতিবেদক।। মাস্ক পরার অভ্যাস, করোনামুক্ত বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে করোনার দ্বিতীয় ধাপ মোকাবেলায় ঢাকা জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের মাঝে প্রায় ৫ হাজার মাস্ক বিতরণ করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
রোববার (২১ মার্চ) দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে পুলিশের বিশেষ উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল থেকে আশুলিয়ার বাইপাইল,পল্লী বিদ্যুৎ, নবীনগর, ঘোড়াপীর মাজার সহ সাতটি স্পটে মাস্ক বিতরণ করা হয়। এছাড়া থানা পুলিশের বিভিন্ন বিটে মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতা বুদ্ধিতে কাজ করছেন বলে জানান।
গত বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) করোনার দ্বিতীয় ধাপ মোকাবিলায় দেশব্যাপী পুলিশের উদ্যোগ অনুষ্ঠানে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ করোনা রোধে পুলিশের এই কার্যক্রম শুরুর কথা জানিয়েছিলেন।
আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ আমাদেরবাংলাদেশ.কমে-কে বলেন সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। করোনার দ্বিতীয় ধাপ পুর্বের মত সফলভাবে মোকাবেলা করার লক্ষ্যে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা প্রাথমিকবাবে মাস্ক বিতরণ করা শুরু করেছি ।
এসময় শ্রমিক লীগের আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারন সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ ইমাম বলেন মাস্ক পরতে হবে, সাবান দিয়ে বারবার হাত ধুতে হবে, প্রয়োজনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে। জনসমাগম বা ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় গেলে সেখান থেকে বাসায় ফিরে কাপড় খুলে গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম বলেন করোনা মোকাবিলায় পুলিশ জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছে। পুলিশ সদস্যরা মরদেহ সৎকার করেছেন। খাবার বিতরণ করেছেন। এ পর্যন্ত পুলিশের ৮৭ জন সদস্য করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজারের অধিক সদস্য। দ্বিতীয় ধাপেও পুলিশ সদস্যরা মাস্ক পরতে ও হ্যাড-স্যানিটাইজার ব্যবহারে সচেতনতা তৈরি করবে।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনগণকে মাস্ক পরতে বাধ্য করা হবে কিনা- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম বলেন,আমরা ঠিক ‘বাধ্য’ কথাটা বলছি না। আমরা তাদের প্রেষণা ও প্রেরণা দিয়ে মাস্ক পরতে উদ্বুদ্ধ করতে চাই। তাছাড়া মাস্ক পরতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে কেন? মানুষ নিজের দায়িত্ববোধ থেকে নিজের ও নিজের পরিবারের জন্য মাস্ক পরবে বলে আশা করছি।’
আমাদেরবাংলাদেশ.কম/রাজু